পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে পুতিনের এই সফর। নয়া দিল্লিতে ৫ ডিসেম্বর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক। এই বৈঠকে ভারত রাশিয়ার সম্পর্ক সমন্বয় নিয়েও কথাবার্তা হবে এবং দুই দেশের প্রতিরক্ষা, তেল ও পারমাণবিক জ্বালানি নিয়েও আলোচনা হবে মোদী এবং পুতিনের মধ্যে।
পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার চাপের মধ্যে রাশিয়ার সমুদ্র পরিবহনের সমুদ্রপথে পরিবহন করার তেলের বড় ক্রেতা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যই হবে মূল লক্ষ্য। পুতিনের চার বছর পর এটাই প্রথম সফর ভারতে। এই সফরটির আগেই ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য বাণিজ্যক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভারতের রুশ তেল কেনার কারণে আরোপ করার শুল্ক কমানোর জন্য।
এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মস্কো এবং ভারতের সঙ্গে অস্ত্র সরবরাহ চলছে। মস্কো জানিয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের এই বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের নিতে চায়। তবে এখন বাণিজ্যে রাশিয়ার দিকেই বেশি সুবিধা, কারণ ভারত প্রচুর পরিমাণে রুশ জ্বালানি আমদানি করে।
আরো পড়ুন: এভার কেয়ার হাসপাতালে প্রবেশ করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান
ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেন যুদ্ধের সময় জ্বালানি তেলের নির্ভরতা কমাতে শুরু করে। তখন ভারত সস্তায় রাশির কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বাড়ায়।
এই মুহূর্তে ভারত একটু চিন্তায় রয়েছে, মস্কো বা ওয়াশিংটনের সম্পর্ক যদি একটু জোরদার করে তাহলে অপরপক্ষের সম্পর্কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই ওয়াশিংটনের আটলান্টিক কাউন্সিলর সিনিয়র লিখেছেন মোদি ও পুতিন শ্রম ও অসামরিক পারমাণবিক শক্তিসহ অন্যান্য ইস্যু নিয়েও আলোচনা করতে পারে এই বৈঠকে।