প্রবাসীদের জন্য এবার ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন এই সরকার। প্রবাসী বাংলাদেশী ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুত ব্যালটে ১২০টি প্রতীক সংবলিত করেছেন নির্বাচন কমিশন। এই ১২০ টি প্রতীকের মধ্যে বর্তমানের নিবন্ধন বাতিল দল আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক রয়েছে। এই নিয়ে চলছে নানান সমালোচনা।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় দল আওয়ামীলীগ ২৪ এর গণ-আন্দোলনে আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। তারপর থেকে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা ও নির্বাচন কমিশন মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক স্থগিত করা হয়। এছাড়াও আওয়ামীলীগের একটি অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগকে তাদের সকল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।
অন্তবর্তী সরকার এর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছেন। এই নির্বাচনে প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রম করছেন এবং তিনি বলেছেন এইবার প্রবাসী বাংলাদেশীরা, কারাগারের কয়েদি, সরকারি কর্মচারী ভোট দিতে পারবেন। প্রশ্ন হলো যে দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সেই দলের প্রতিক কেন ব্যালট পেপারে থাকবে। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্নেষকেরা নানা সমালোচনা করছেন।
আরো পড়ুন: রাশিয়ার পুতিন এবং ভারতের মোদির সঙ্গে কি নিয়ে বৈঠক হবে
এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে দল নিষিদ্ধ সেই দলের প্রতিক পোস্টাল ব্যালটে থাকার কথা নয়। আমি এখনও পোস্টাল ব্যালট এখনো দেখিনি।
অনেকে বলছেন যদি পোস্টাল ব্যালটে নৌকা প্রতিক থাকে তাহলে অনেক প্রবাসী নৌকায় ভোট দিয়ে তা ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিতে পারে। গত ৩০ অক্টোবর ১১৯টি প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করেছিল ইসি। ইসির ১১৯ টি প্রতীকের মধ্যে ৫৬ টি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পথিক রয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক