কলা বেশির ভাগ মানুষেরই প্রিয় ফল। কলাতে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী একটি ফল। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে নিয়মিত কলা খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ফাইবার। যা অন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও কলাতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ যাদের পুষ্টির অভাব তারা কলা খেতে পারেন।
এছাড়াও কলাতে রয়েছে ভিটামিন B6, ফাইবার এবং ম্যাগনেসিয়াম। এত ভালো একটি ফল তাই বেশি বেশি খাওয়া যাবে না। বেশি কলা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাওয়া উচিত নয়, খেলে ক্ষতি হতে পারে। কলা মূলত কখন খাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে ভালো-মন্দ হয়।
কলা খাওয়ার উত্তম সময়
কলা খাওয়ার উত্তম সময় হলো সকালের নাস্তার সময় বা তার আগে। সকালে একটি কলা খেলে ক্ষিদে কম হয়। এতে রয়েছে প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার, হালকা পাকা কলায় থাকে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ। এই উপাদান থাকায় হালকা পাকা কলা হজমে বেশ সহায়ক। তাছাড়াও কলায় রয়েছে পটাশিয়াম ও ভিটামিন B6 , মেটাবলিজম যা শরীরে শক্তি বাড়ায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের প্রিয় ফল
যারা নিয়মিত ব্যায়াম করে তারা প্রতিদিন কলা খায়। কারণ কলা তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায় শরীরে দ্রুত শক্তি উৎপাদন হয়। কলায় থাকা কার্বোহাইড্রেট ও পটাশিয়াম আছে যা একসাথে শরীরের পেশির জন্য খুবই উপকারী।
আরো পড়ুন: গুগল চালু করেছে Gemini 3, আরো বেশি বুদ্ধিসম্পন্ন
ঘুম না আসলে কলা খেতে পারেন
কলাতে ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে যা পেশি শিথিল করে, আর ভিটামিন বি৬ মেলাটোনিন সাহায্য করে। ঘুমের জন্য মেলাটোনিন বিশেষ কার্যকরী। যার কারণে ঘুম না আসলে একটা কলা খেলে ঘুম আসে।
যখন কলা খাওয়া উচিত নয়?
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কলা খাওয়া উচিত নয়। কারণ কলা যেহেতু তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। তাই কলা খেলে শরীরে তাড়াতাড়ি শক্তি আসে আবার তাড়াতাড়ি শক্তি চলে যায়। বিশেজ্ঞদের মতে সকালে খালিপেটে কলা খাওয়া উচিত নয়। কলা খেলে তার সাথে প্রোটিন যুক্ত কোন খাবার খেতে হবে। প্রোটিন বা ফ্যান যুক্ত খাবার খেলে অনেক ভালো হয়। শুধু কলা খালি পেঠে মুঘথেকে উঠে খাওয়া ঠিক নয় ।
