গতকাল ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যার সময় কড়াইল বস্তিতে আগুন লেগে যায়। তখন এই আগুনে পুড়ে যায় পুরোস্ত প্রায় ১৫০০ ঘর। আগুন লেগে ছাই হয়ে গেছে বস্তিবাসির গচ্ছিত সম্পদ। এখন শ্মশানপুরীর মতো দেখাচ্ছে পুরো বস্তি।
আগুন লাগার প্রায় পঁয়ত্রিশ মিনিট পর ফায়ার সার্ভিস আসে। রাস্তায় বেশি যানজট থাকার কারণে তাদের আসতে দেরি হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু যতক্ষণে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে, ততক্ষণে বস্তিবাসীর স্বপ্ন সব ধূলিসৎ হয়ে গিয়েছে।
এখানে বেশিরভাগ মানুষ বসবাস করে যারা দিন আনে, দিন খায়। তাদের ঘড়গুলো ছিল কাঠ, বাশ ও টিন দিয়ে তৈরি এবং কিছু কিছু জায়গায় একতলা এবং দোতলা ভবন রয়েছে। টিনের ঘর গুলো পুরে ছাই হয়ে গিয়েছে, অবশিষ্ট আছে কিছু কিছু টিন। এছাড়াও বিল্ডিং গুলো মধ্যে যে সমস্ত আসবাবপত্র ছিল সেই সকল জিনিস পুড়ে ভস্ম হয়েছে।
আরো পড়ুন: গণভোট অধ্যাদেশের খসড়া ২০২৫ অনুমোদন চুড়ান্ত বৈঠক

ফায়ের সার্ভিস, জানায় কড়াইল বস্তির আশেপাশে জলের ভালো উৎস না থাকার কারণে আগুন নেভাতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। যদি আশেপাশে অনেক জলের ব্যবস্থা থাকতো, তাহলে হয়তো আরো আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যেত। এই আগুন দেখে অনলাইনের মাধ্যমে অনেকে শোক প্রকাশ করেছেন। কিন্তু সকালে এখনও কোন দলের নেতা আসেনি। সরকারের কাছে বস্তি বাসী চাতকের মতো চেয়ে আছে। বর্তমান সরকার এখনো তাদের কোন আশ্বাস দেয়নি।
