17 C
ban
বৃহস্পতিবার: 4 ডিসেম্বর, 2025

ইউনূস জামানায় এভাবেই ‘রিসেট বাটন’ টিপে মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে: আনিস আলমগীর

প্রকাশ:

আনিস আলমগীর হলেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট। তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেন ডিসেম্বর এলেই আগে চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধী গর্তে লুকিয়ে থাকতো, ক্যামেরার সামনে আসতে ভয় পেত, ক্যামেরার সামনে আসতো না। এখন তার বিপরীত হচ্ছে, ডিসেম্বরে এখন উল্টো মিডিয়া নিজেরাই তাদের ডাকছে, যেন মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করাই এক ধরনের ব্যবসায়িক কৌশল চলছে।

তিনি কিন্তু বাস্তব একটি ঘটনা মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। এছাড়াও তিনি আরো লিখেছেন টেলিভিশনের টকশোতে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা বিতর্কিত অতিথিদের এনে ‘ভিউ ব্যবসা’ বাড়ানো হচ্ছে, যারা কারণ-অকারণে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করে কথা বলে। এটা কিন্তু সত্যি ঘটছে বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে।

আনিস আলমগীর আরো লিখেন এখন ওরা গর্ত থেকে বের হয়ে বিহারী হত্যার বিচার চাইছে- যেন হঠাৎ মানবতার ফেরিওয়ালা বনে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলছেন। যে দেশের মুল মন্ত্র ছিলো ‘জয় বাংলা’। সেই স্লোগান দিলেই তাদের আটক করা হচ্ছে, মারধর করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: ৫০০ টাকার নতুন নোট আসছে বাজারে

তাছাড়াও এই ধরনের টকশোতে এখন মুক্তিযোদ্ধাদের শহীদের সংখ্যা নিয়ে তর্কবিতর্ক করা হচ্ছে। মহিলা মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনাদের নিয়ে অবমাননাকর কথা বলছে। তিনি আরো একটি কথা এখানে উল্লেখ্য করেছেন তা হলো মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতা পরানো- সেটা তো এখন ‘পুরনো’ বিষয়। তা তো এখন তাদের সামনে হলে আর কোন সমস্যা হয় না তাদের।

টিভির চ্যানেলের টকশোতে সুশীলরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপমানজনক কথা বলছে, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকাকে কটাক্ষ করছে। কেউ যদি রাজাকারদের অপছন্দ করে ‘ভারতীয় দালাল’ ট্যাগ লাগিয়ে দিচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধার সময় ভারতের অবদান ভুলে যারা অত্যাচারিত করেছে এদেশের মানুষেদের তাদের বড় বড় সম্মাননা দিচ্ছে।

ইউনূস জামানায় এভাবেই ‘রিসেট বাটন’ টিপে মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে, স্বাধীনতা ২.০ নামে নতুন বয়ান বানিয়ে এই দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মানসিক নির্যাতন করছে। চব্বিশের অর্জনও একইভাবে বিতর্কিত করার পথ তৈরি হচ্ছে। এই কথাও বলেন আনিস আলমগীর।

সবশেষে তিনি বলেন ওরা ভুলে গেছে, সত্য সাময়িক চাপা পড়ে থাকতে পারে, কিন্তু পরাজিত হয় না।

সূত্র: আনিস আলমগীর ফেসবুক প্রোফাইল

নিউজ লেখক:

সর্বশেষ

এ বিষয় আরো পড়ুন